সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কোন্নয়নে দিল্লিতে সম্মেলন

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী, বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী ও ভারতের স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে দিল্লির সাপ্রু হাউজে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ভারতের বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাই-কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা। এসময় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।

মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স-সাপ্রু হাউজে বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫০ বছরের সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়।

এসময় দুই দেশের নানা সম্ভাবনার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে। প্রতিবেশী দেশের সাথে বর্তমান সম্পর্ককে ‘সোনালী অধ্যায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

সম্মেলনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুবিধার উপর ভিত্তি করে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এসময় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স ঘোষণার প্রশংসা করেন শ্রীংলা। একইসাথে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (সাফটা’র) আওতায় বাংলাদেশের বাজারে ভারতের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের বিষয়েও আলোকপাত করা হয়।

সম্মেলনে বাংলাদেশে ভারতের রেয়াতি ঋণের মাধ্যমে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের কথাও তুলে ধরা হয়। উদাহরণ হিসেবে দুই দেশের সংযোগে ৫টি রেললাইন পুনরুদ্ধারে বিষয় তুলে ধরেন শ্রীংলা। এসময় খুলনা থেকে কোলকাতা, ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি, ঢাকা থেকে আগরতলা পর্যন্ত সরাসরি বাস চলাচল করছে বলেও জানান তিনি।

সম্মেলনে বলা হয়, পারস্পরিক এই সহযোগিতায় সীমান্ত অবকাঠামো ও দুই দেশের অর্থনৈতিক সেক্টরে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। সেইসাথে ভারতের ৫ম বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে এশিয়ার একমাত্র দেশ ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি দুইশ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের উন্নয়নের বিষয়ে সাবেক ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, গত ১০ বছরে বাংলাদেশ ৬ শতাংশ এর বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং এখন একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।

এসময় নদীর দূষণ মোকাবেলায় টেকসই সমাধানের জন্য যৌথ বন্যা ব্যবস্থাপনা, মৎস্য সংরক্ষণ, সুন্দরবন এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত বনাঞ্চলের ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। ভবিষ্যতে দুই দেশের প্রযুক্তিগত সম্পর্কোন্নয়ের বিষয়েও তুলে ধরেন বক্তারা।

আরোও

আলোচিত সংবাদ