সোমবার, নভেম্বর ২৮, ২০২২

অবৈধ কয়লার চুলা শেল্টার দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বুলবুল,,,,

[print_link]

বিশেষ প্রতিনিধি : টাংগাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ায় অবৈধ কয়লার চুলায় সয়লাব। বন বিভাগের জায়গায় পরিবেশ নষ্ট করে চলছে এ কর্মকাণ্ড। অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন বিশেষ ব্যক্তিবর্গ। তথ্যে উঠে আসে সকল নেপথ্যের সকল গল্প। দলীয় ব্যানার ব্যবহার করে আরামে চালাচ্ছেন স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় চুল্লি চালাচ্ছেন, হাবিব, সাওার, আমজাদ, সবুর, মেম্বার বিদ্যুৎ । আর দেখভাল করেন, ফরহাদ ও সানোয়ার কথিত বাজার ব্যবসাহি সভাপতি। তথ্য সংগ্রহের সময় থেকেই নানা সমস্যার মুখোমুখি হয় গনমাধ্যমকর্মিরা। তথ্য সংগ্রহে জানা যায়, এই অবৈধ ব্যবসার শেল্টার ( সাপোর্ট ) দেয় মির্জাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আর লিড দেন ফরহাদ ও সানোয়ার। গভীর রাতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিজের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক কে কল করে করেন উল্টাপাল্টা প্রশ্ন।

তথ্য সূত্রে জানাযায়, মাসিক মাশুহারা নিয়ে এ ব্যবসার শেল্টার দেন সরকারি এই কর্মকর্তা। অবৈধ ব্যবসার জোগানদাতা এই কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকা নিয়ে জোগান দিচ্ছেন। অবৈধ ব্যবসাহিরা সাংবাদিক দের কে জানান, সকল প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে এই অবৈধ ব্যবসা চলছে। পরে দিন সাংবাদিক রা জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, আপনারা নিউজ করেন আমার কোন সমস্যা নাই। গভীর রাতে ফোন করে উল্টো পালটা প্রশ্ন করার বিষয় জানতে চাইলে কোন উত্তর মেলেনি আমিনুল ইসলাম (বুলবুল) কাছে থেকে পরে বলেন আপনারা অফিসে আসেন দেখবো। এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, বিষয় টা খতিয়ে দেখতে হবে। আর চুল্লিতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরে জেলা প্রশাসক বলেন, স্ব-স্ব দপ্তর অভিযান পরিচালনা করবেন।

আর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিষয়ে যাচাই বাচাই করে ব্যবস্তা নেয়া হবে। পরে বিভিন্ন পরিবেশ সংশ্লিষ্ট রা বলেন, অসৎ কর্মকর্তার কারনে পরিবেশ আজ বিপদগ্রস্ত হচ্ছে। যেখানে অক্সিজেন সংকট সেখানে বনের গাছ কেটে পুরিয়ে কয়লা তৈরির কারখানার শেল্টার দেন সরকারি কর্মকর্তারা। পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা না নিয়ে দেশের চিন্তা না করে অবৈধ টাকার খেলায় মেতেছেন এ কর্মকর্তা গন। স্থানীয় লোকজন শুধু চল্লি নয় বন বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করেছেন নানান স্থাপনা।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, এ চুল্লির কারনে সমস্ত এলাকায় পরিবেশ দূষিত করছে। কোন দপ্তর কোন প্রকার ব্যবস্তা নেয়নি। সরকারি কর্মকর্তা রা আসে আর টাকা নিয়ে চলে যায়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ ধরনের কাজে ক্ষুদ্ধ এলাকা বাসী। তথাকথিত নামধারি সাংবাদিক জরিত আছেন বলে দাবি করেন তারা। এ অবৈধ ব্যবসা বন্ধ ও সরকারি কর্মকর্তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানায়।

আরোও

আলোচিত সংবাদ

error: Content is protected !!