রবিবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২২

জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মহিউদ্দিন মহারাজ

[print_link]

জালিস মাহমুদ, পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

আসন্ন পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন পিরোজপুর জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ।

২৫ সেপ্টেম্বর (রোববার) দুপুরে জেলা আ’লীগের কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে মহিউদ্দিন মহারাজ তার লিখিত বক্তব্যে জানান, বাংলাদেশ আ’লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনেও তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিরোধীদল এ নির্বাচনে অংশগ্রহন করেনি। সুতারং এই নির্বাচন উন্মুক্ত থাকবে এই ভেবে তিনি মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। যেহেতু তিনি মনেপ্রাণে আ’লীগ করেন তাই দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও শ্রদ্ধা রেখে দল সমর্থিত প্রার্থী সমর্থিত নারী প্রার্থী সালমা রহমানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পিরোজপুর জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে বিপুল ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছিলাম। এবারও নির্বাচনের আগে ৭৪৭ জন ভোটারের মধ্যে ৭০৫ জন ভোটার তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সালমা রহমান হেপীকে আ’লীগের দলীয় সমর্থন দেওয়ায় তিনি মনে করেন ব্যাক্তির চেয়ে দল বড়। তাই তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাতেগড়া প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আ’লীগকে ভালোবেসে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন নিজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের করছেন।

জেলা আ’লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম এ আউয়াল, সহ সভাপতি ও পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক, দলীয় সমর্থিত নারী প্রার্থী সালমা রহমান হেপী সহ আ’লীগের শতাধিক নেতা কর্মী।

এর পরই তিনি জেলা আ’লীগের সভাপতি সহ অন্য নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহেদুর রহমানের কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য আবেদন পত্র জমা দেন। এ ছাড়াও বাকী ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীও তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করায় চেয়ারম্যান পদে সালমা রহমান হেপির অন্য কোনো কোন প্রতিদ্বন্দ্বী রইলো না। এছাড়াও সাধারণ সদস্য পুরুষ ২০ জনের মধ্যে ০১ জন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে মোট ১৯ জন রয়েছে। এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১১ জনের মধ্যে ০১ জন প্রত্যাহার করে ১০ জন সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

উল্লেখ্য, এই মহিউদ্দিন মহারাজ গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তকে অমান্য করে ততকালীন আ’লীগের প্রার্থী ও সাবেক সাংসদ অধ্যক্ষ শাহ আলমকে পরাজিত করছিলেন।

আরোও

আলোচিত সংবাদ

error: Content is protected !!